রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর কাশবাগানে শরৎ উৎসব অনুষ্ঠিত

 

১৬ অক্টোবর ২০২৬: কথা, কবিতা ও গানে গানে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে শরৎ উৎসব ১৪৩৩। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর চরে কাশবাগানে শহীদ সন্তোষ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ শহীদ খান। সংগঠনের সভাপতি পলাশ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি বিদ্যুৎ সরকার।

উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি এনামূল হক পলাশ, কবি লোকান্ত শাওন, কবি অনিন্দ্য জসিম, কবি বকুল মাস্টার, কবি দুনিয়া মামুন, কবি সজীম সাইমসহ অনেকে।

শিশুদের নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এরপর গান পরিবেশন করেন ‘সবুজ সুরের সন্ধানে’ সিজন-১-এর সেরা দশে স্থান পাওয়া প্রতিভাবান শিল্পী মিজানুর রহমান কাঞ্চন ও তাঁর দল।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন কবি এনামূল হক পলাশ। তিনি বলেন, “জনগণের সংস্কৃতি ছাড়া অন্য কোনো সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। সকল সংস্কৃতিই একটি স্বতঃস্ফূর্ত ক্রিয়া। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সংস্কৃতির কাল্ট বানানো যাবে না, কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতি থেকে তাঁকে আলাদা করার সুযোগ নেই।”

তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমালোচনা করা যাবে না—এমন কোনো কথা নেই। একই সঙ্গে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক, সুফি, চৈতন্য, লালন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলসহ কাউকেই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে বাদ দেওয়া যায় না।

দ্বিতীয়বারের মতো সোমেশ্বরী নদীর চরে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নিয়ে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অতিথিরা। উৎসবে গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা এতে অংশ নেন।

ট্যাগ :

আপনার মন্তব্য লিখুন...

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয়

বারহাট্টা প্রেসক্লাব পরিদর্শন করলেন এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী

দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদীর কাশবাগানে শরৎ উৎসব অনুষ্ঠিত

আপডেট : ১১:২৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

 

১৬ অক্টোবর ২০২৬: কথা, কবিতা ও গানে গানে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে শরৎ উৎসব ১৪৩৩। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর চরে কাশবাগানে শহীদ সন্তোষ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ শহীদ খান। সংগঠনের সভাপতি পলাশ সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি বিদ্যুৎ সরকার।

উৎসবে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি এনামূল হক পলাশ, কবি লোকান্ত শাওন, কবি অনিন্দ্য জসিম, কবি বকুল মাস্টার, কবি দুনিয়া মামুন, কবি সজীম সাইমসহ অনেকে।

শিশুদের নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এরপর গান পরিবেশন করেন ‘সবুজ সুরের সন্ধানে’ সিজন-১-এর সেরা দশে স্থান পাওয়া প্রতিভাবান শিল্পী মিজানুর রহমান কাঞ্চন ও তাঁর দল।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন কবি এনামূল হক পলাশ। তিনি বলেন, “জনগণের সংস্কৃতি ছাড়া অন্য কোনো সংস্কৃতি গ্রহণযোগ্য নয়। সকল সংস্কৃতিই একটি স্বতঃস্ফূর্ত ক্রিয়া। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সংস্কৃতির কাল্ট বানানো যাবে না, কিন্তু বাংলাদেশের সংস্কৃতি থেকে তাঁকে আলাদা করার সুযোগ নেই।”

তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমালোচনা করা যাবে না—এমন কোনো কথা নেই। একই সঙ্গে বৌদ্ধ সহজিয়া সাধক, সুফি, চৈতন্য, লালন, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলসহ কাউকেই বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে বাদ দেওয়া যায় না।

দ্বিতীয়বারের মতো সোমেশ্বরী নদীর চরে আয়োজিত এ উৎসবে অংশ নিয়ে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন অতিথিরা। উৎসবে গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশিত হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীরা এতে অংশ নেন।